Bangladesh Universit of Textiles

Friday, May 13, 2016


সারা দেশে এখন সাড়ে তিন হাজার পোশাক কারখানা আছে। এই পোশাকশিল্প থেকেই দেশের সর্বোচ্চ পণ্য রপ্তানি আয় হয়। আন্তর্জাতিক ব্যবসা করা এ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিদের জন্য আছে চাকরির ভালো সুযোগ। বেতনও আকর্ষণীয়। যোগ্য হয়ে আপনিও নিতে পারেন এই সুযোগ।
‘গার্মেন্টসে কাজ করব’—এ নেতিবাচক মনমানসিকতার জন্য উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা এ শিল্পে কাজ করতে আসতে চান না। সে জন্য মোটামুটি মানের লোকজনকে তাঁদের গড়েপিটে নিতে হয়। তবে এখানে কাজের অনেক সুযোগ আছে। নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ আছে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে করপোরেট কালচারও চালু হয়ে গেছে। ব্যবসায় বাড়াতে যে ভালো ভূমিকা রাখছে, সেই তরতরিয়ে ওপরে উঠে যাচ্ছে। কথাগুলো বলছিলেন নিট পোশাক মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
আর তথ্য বলছে, দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় জবপোর্টালে গত সপ্তাহে ২৬ ক্যাটাগরির মধ্যে গার্মেন্টস ও টেক্সটাইলে তৃতীয় সর্বোচ্চ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল। পদের সংখ্যা সাড়ে তিন শ। দেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক ব্যবসা পোশাকশিল্পের চাকরির বাজারের এটি একটি খণ্ডচিত্র মাত্র। শিল্পের উদ্যোক্তাদের মতে, পোশাক খাতে চাকরির অনেক সুযোগ আছে। বরং সেই অনুপাতে দক্ষ জনবল পাওয়া যাচ্ছে না।
সারা দেশে বর্তমানে সাড়ে তিন হাজার পোশাক কারখানা আছে। এর মধ্যে সরাসরি রপ্তানি করে প্রায় দুই হাজারের বেশি কারখানা। এসব কারখানা থেকে গত অর্থবছর দুই হাজার ৪৪৯ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় এ অর্থ এক লাখ ৯৫ হাজার ৯২০ কোটি টাকার সমান, যা দেশের পণ্য রপ্তানি আয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ শিল্প খাতে যেমন অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত প্রায় ৪০-৪২ লাখ নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, তেমনি উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা কাজ করছেন। পাচ্ছেন মোটা অঙ্কের বেতন। আছে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও।
তাজরীন ফ্যাশনসের অগ্নিকাণ্ড ও রানা প্লাজা ধসের পর দেশের পোশাকশিল্প দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। তবে কর্মপরিবেশের উন্নতিসহ নানা উদ্যোগ নেওয়ায় খাতটি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এদিকে ২০২১ সালে তৈরি পোশাকের রপ্তানি ৫০ বিলিয়ন বা পাঁচ হাজার কোটি ডলারে (প্রায় চার লাখ কোটি টাকা) নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিজিএমইএ। তার মানে আগামী দিনগুলোতে এ শিল্পে বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, আগে একসময় শুধুই পোশাক কারখানা ছিল। একজন ব্যবস্থাপক, আর কয়েকজন লাইনম্যান হলেই কাজ হয়ে যেত। তবে সময় বদলে গেছে, এখন এটি শিল্প। আন্তর্জাতিক ব্যবসা। ফলে অনেক ধরনের পেশাদার লোক দরকার।
শিল্পের কয়েকজন উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তৈরি পোশাক কারখানার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে উৎপাদন, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, মানবসম্পদ, কর্মপরিবেশ (কমপ্লায়েন্স), হিসাবরক্ষণ, বিপণন ফ্যাশন ডিজাইনার, বস্ত্র প্রকৌশলী, পণ্যের মানোন্নয়ন, পণ্যের নমুনা প্রস্তুত, প্রশাসন ইত্যাদি বিভাগে কাজ করার সুযোগ আছে। এসব পদে মাসে ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও অনেকেই যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে এটাকে লাখে নিয়ে যেতে পারেন।
এমনই এক গল্প শোনালেন নিট পোশাক মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি জানান, তাঁর কারখানার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি মাসিক এক লাখ টাকা বেতন পান। যদিও তিনি ডিগ্রি পাস। কারখানায় যোগ দিয়েছিলেন একজন কমার্শিয়াল কর্মকর্তা হিসেবে।
এ শিল্পে কাজ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের অবশ্যই ইংরেজি ভাষাটা ভালো বলতে ও লিখতে পারতে হবে। সেই সঙ্গে যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর পড়াশোনা থাকে, তবে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না। আর সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটে পোশাকশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোর্স করতে পারলে খুবই ভালো। এমন কর্মীদের পছন্দ করেন এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তারা।

Collected 

Wednesday, May 11, 2016


অনেকের ছোট বেলার লালিত স্বপ্ন যখন ভেঙ্গে যায় , তখন বিশ্ববিদ্যালয় লেভেল এ পড়ার জন্য বর্তমান বিশ্বে চাহিদা সম্পন্ন বিষয় কে বেছে নেয় ভালো ক্যারিয়ার এর তাগিদে ।আবার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অনেকের স্বপ্নই থাকে কেবল ভালো চাহিদা সম্পন্ন সাবজেক্ট এ পড়া । টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং হল তেমন একটি সাবজেক্ট ।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে, এরকম অনেক বন্ধুকে টিটকারি করে গার্মেন্টস বলে ট্যাগ দিয়ে দেয়া হয় বন্ধু মহলে । কেননা তাদের ধারনা টেক্সটাইল এ পড়া মানে সকালে টিফিন বাটি হাতে গার্মেন্টসের দিকে দৌড় মারা । এ সব কারনে অনেকে আশাহত হয় এই ভেবে যে, শেষ পর্যন্ত গার্মেন্টস……।। কিন্তু তারা ভেবে দেখে না এই গার্মেন্টস শিল্পই টিকিয়ে রেখেছে বাংলাদেশকে । বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে ব্যান্ড করে তুলছে ।
“made in Bangladesh” এটা টেক্সটাইল শিল্পের ফসল ।
টেক্সটাইলে এ কাজ করা ছাড়াও গবেষণার বাজারে এবং উচ্চতর শিক্ষায় টেক্সটাইল সাবজেক্টের রয়েছে এর অমিত সম্ভাবনা ।
দেশের সরকারি এবং বেসরকারি কিছু টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি মাস্টার্স করা সুযোগ রয়েছে পিএইচডি গবেষণা করার সুযোগ নেই বললেই চলে ।তবে BUTEX সম্প্রতি তা চালু করে। পিএইচডি গবেষণা করার জন্য আপনি যেতে পারেন বিদেশে ।আর আপনি সেখনে……
• টেক্সটাইলের কটন-বেজড ম্যানুফেকচারিং বা প্রসেসিং নিয়ে মাস্টার্স বা পিএইচডি গবেষণা করতে পারেন
• আশ-পাশের বিষয় । যেমন, পলিমার সায়েন্স/ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, টেকনিক্যাল এপ্লিকেশন অফ টেক্সটাইলস, কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল ইত্যাদি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা নিতে পারেন ।
• কেমিস্টি বিশেষ করে পলিমার কেমিস্ট্রি; ন্যাচারাল বা সিন্থেটিক পলিমারিক ম্যাটেরিয়াল সম্পর্কে পড়াশুনা করা যেতে পারে।
• ফাইবার, ফেব্রিক বা অন্য ম্যাটেরিয়ালের বিভিন্ন ধরনের মেকানিকাল, কেমিক্যাল, থার্মাল ইত্যাদি প্রপার্টিজ এনালাইসিস করার জন্যে যেসব টেস্টিং আছে সেগুলোর ব্যাবহার এবং ব্যাখ্যা করার পদ্ধতি জানা থাকলে যেকোন ম্যাটেরিয়াল নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন
• বিভিন্ন ম্যাটেরিয়ালের ফাংশনাল প্রপার্টি বা ইউনিকনেস এবং তাদের এপ্লিকেশন নিয়ে অনেক গবেষণা হচ্ছে আজকাল ।
• বিভিন্ন ধরনের কেমিকাল প্রসেসিং ও পরিবেশ দূষন এবং এর প্রভাব (অর্থনৈতিক, সামাজিক বা পরিবেশ) মোকাবেলা সংক্রান্ত পরিবেশ বিজ্ঞান; কিংবা বৈরী পরিবেশের জন্যে উপযুক্ত পোশাক, বিভিন্ন ধরনের ইকোটেকনোলজি (প্লাজমা, মাইক্রোওয়েভ, আল্ট্রাসাউন্ড) এবং পরিবেশ-বান্ধব ম্যাটেরিয়াল নিয়েও গবেষণা হচ্ছে বিস্তর।
• ডিজাইন নিয়ে গবেষণার ব্যাবহার বেড়েছে অনেক।
• গবেষণার সবচেয়ে বড় বিষয় হল টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এর ব্যাবহার । বিশ্বে যেখানে টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এর প্রবৃদ্ধির হার ৪ % সেখানে আপ্যারেলস এর ১% । আর একারনেই টেকনিক্যাল টেক্সটাইল কে অনেক দ্রুত অগ্রসমান একটি সেক্টর ভাবা হয় টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে । শতকরা ২১ ভাগ টেকনিক্যাল টেক্সটাইলস, সমগ্র টেক্সটাইল এর মধ্যে ।
আর এই টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এর রয়েছে নানা দিক নানা ক্ষেত্র । যেকোনো একটি তে আপনি গবেষণা চালাতে পারেন দিব্যি ।এইগুলো হল -
i. Protech ( protective textiles )
ii. Agrotech (Agro-textiles )
iii. Mobitech ( automotive and aerospace textiles )
iv. Clothtech ( clothing textiles )
v. Geotech ( geo-textiles )
vi. Hometech ( domestic textiles )
vii. Indutech ( industrial textiles )
viii. Transportation textiles
ix. Ecotech (environmentally friendly textiles)
x. Packteck ( packaging textiles )
xi. Sporttech ( sport textiles )
এ ছাড়া টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এর আরও কিছু দিক আছে ।
তাই যাদের স্বপ্ন নিজেকে গবেষণায় নিয়োজিত করা, তাদের জন্য টেক্সটাইল গবেষণার জগতে রয়েছে সম্ভাবনার হাতছানি । একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে শুধু দেশেই নয় বিদেশে ও আপনার জন্য অনেক কর্মক্ষেত্র খোলা রয়েছে ।

Wednesday, April 20, 2016



এখানে টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছরের বইগুলো  পিডিএফ ফরমেটে দেওয়া আছে    বইয়ের নামের উপর ক্লিক করে ডাউনলোড করতে পারবেন সম্পূর্ণ ফ্রী  ।.




Ads.



  Book NameSize Download
PSE - Polymer Science And Technology - Robert O. Ebewele3,8 MBDownload
Physics I - Pratical Physics - Dr Giasuddin Ahmed And Md Shahabuddin 8.00 MBDownload
Physics I - Fundamentals Of Physics Extended(10th Edition) - Jearl Walker  30.7 MBDownload
Physics I - Fundamentals Of Physics 9th Ed Extended-Halliday & Resnick  68.4 MB

Download
Physics I - A Textbook Of Optics By N Subrahmanyam And Brij Lal6.4 MBDownload
Math - Calculus - Early Transcendentals - Howard Anton(Solutions)  11.3 MB

Download
Math - Calculus - Early Transcendentals - Howard Anton(10th Ed)  24.1 MBDownload
Engineering Materials - Introduction To Physical Metallurgy Avner  49.6 MB

Download
Chemistry II - Organic Chemistry 10th Ed By Solomon And Frhyle  84.6 MB

Download
Chemistry II - Marchs Advanced Organic Chemistry Reactions, Mechanisms, And Structure, Michael B Smith, Jerry March 29.3 MBDownload
Chemistry - Physical Chemistry(8th Ed) - Peter Atkins 12.9 MB

Download
Chemistry - General Chemistry - Ebbing & Gammon  50.4 MB

Download
Chemistry - Essentials Of Physical Chemistry - Arun Bahl,BS Bahl, DG Tuli 22.3

Download
EmptyDoe

Download
EmptyDoe

Download

Saturday, October 3, 2015

এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলেই আকাশ ছোয়ার স্বপ্প নিয়ে যুদ্ধে নামে একদল মেধাবী তরুণ। কারও লক্ষ্য ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেও হতে চায় ব্যাবসায়ী কেউ বা ব্যারিষ্টার। এদের থেকেই একদল মেধাবী তরুণের ঠিকানা হয় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। তাদের আনন্দের সীমা থাকে না। কারণ এদেশের সচিব থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত সবাই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার পেশা সম্পর্কে চোখ বন্ধ করে বলে দেয়- উজ্জল ভবিষ্যত, টাকা আর টাকা। কিন্তু ভর্তি হবার পরেই ছাত্রের ধারণা বদলাতে থাকে। কর্মক্ষেত্রে থাকা সিনিয়র ভাই-বোনদের হতাশা মাখা কথা শুনে মন খারাপ হয়ে যায়। চাকরিতে কষ্টের কথা শুনলেও নিজের স্ট্যামিনার ওপর তবুও সে আস্থা হারায় না। একদিন সে কর্মক্ষেত্রে আসে। এবার ক্যাম্পাসের বড় ভাইদের কথাগুলো মনে হয়, কিন্তু কিছু করার থাকে না। প্রোডাকশনে জব করতে গেলে নাইট ডিউটি করতে করতে চোখের নিচে কালি পরে যায়, মার্চেন্ডাইজিংএ এসে অল্প বয়সেই হাই প্রেশার হয়ে যায়ে ইত্যাদি।
তবে একসময় সত্যি সত্যি সব গায়ে সয়ে যায়। ৮ ঘন্টি ওয়ার্কিং আওয়ারের জায়গায় ১২ ঘন্টা অফিস করতেও খারাপ লাগে না, সন্তান সম্ভবা স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে সারা রাত তিনি ফ্যাক্টরিতে কাটাতে পারেন অন টাইম শিপমেন্টের জন্য, একমাত্র শালার বিয়ে, বান্ধবীর গায়ে হলুদে জয়েন করা হয়ত সম্ভব হয় না। তবুও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদেরও জীবন বয়ে চলে। তাদের জীবনেও স্বাধ-আহলাদ পুরণ করার সুযোগ হয়। হয়ত খুব বেশি সময় তারা পরিবারে দিতে পারে না তবুও যতটুকু পারা যায় কম কিসের। চাকরিতে কষ্ট হোক, মাঝে মাঝে আক্ষেপ হোক তারপরেও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা একটি সুন্দর স্বপ্ন দেখে-সৎ ভাবে আয় করে একটি সাজানো বাড়ি, সুন্দর একটা গাড়ি ও একটি সাজানো সংসার।
কাজে ব্যাস্ত কোন এক মুহুর্তে হঠাৎ অফিস টেবিলে চলে আসে যদি বিবাহ বার্ষিকি উপলক্ষে প্রিয়তমার পাঠানো ফুলের তোড়া, এর থেকে সুখের আর কি আছে....

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
লিখেছেন ---  

Fazlay Rabby James 

Tuesday, September 15, 2015



 Subject Review : Textile Machine Design & Maintainence

টেক্সটাইল সেক্টরের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম থেকেই টেক্সটাইল জগতের বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষিত করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি শুরু করতে যাচ্ছে নতুন একটি বিষয়। যার নাম টেক্সটাইল মেশিন ডিজাইন এন্ড মেইনটেইনেন্স। মূলত টেক্সটাইল জগত যাতে সম্পূর্ণভাবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারাই পরিচালিত হয়....সে উদ্দেশ্যেই এই সাবজেক্টের যাত্রা শুরু।
টেক্সটাইল মিল গুলোতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যাবহার হয়। সেগুলো মূলত ওয়েভিং, নিটিং, ডায়িং, ফিনিশিং সহ আরো বহুবিধ কাজে ব্যাবহৃত হচ্ছে। এসব মেশিনারিজ এর উন্নয়ন, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন মেশিন তৈরির ক্ষেত্রে হাত রাখবে এমন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারতৈরিই হবে এই সাব্জেক্টের মূল উদ্দেশ্য। দেশের সিংহভাগ আয় হচ্ছে এই টেক্সটাইল সেক্টর থেকে। যার পিছনে একটা বড় হাত রয়েছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার দের। একটি পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে ডিজাইন থেকে শুরু করে ইয়ার্ন, ফেব্রিক তৈরি...... ডায়িং, ফিনিশিংসহ সব কাজের সাথে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার সরাসরি যুক্ত। কিন্ত এই টেক্সটাইল মিল কারখানার মেশিনগুলো নিয়ন্ত্রণ এর ক্ষেত্রে এখনো অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারদের নির্ভর করতে হচ্ছে। যদি এই টেক্সটাইল মেশিন ডিজাইন এন্ড মেইনটেনেন্স বিষয় নিয়ে কেউ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে, তাহলে সমগ্র টেক্সটাইল জগতে তার থাকবে অগ্রাধিকার। যেহেতু এই বিষয়ে মেশিন সম্পর্কে যাবতীয় বিস্তারিত পড়ানো হবে সেহেতু সে একজন প্রথম সারির মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারদের কাতারেই পড়বে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পড়াশোনা শেষ করার পর একটি ব্যপক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জবের নিশ্চয়তা এবং এক্সপেক্টেড স্যালারী। এক্ষেত্রেও এগিয়ে থাকবে এই বিষয়ের শিক্ষার্থীরা। যেহেতু তারা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে স্বীকৃতি পাবে....তাই তাদের নিশ্চিত জব এবং উচ্চমানের স্যালারী নিয়ে ভাবতে হবে না বলে আশা করি। কারণ সম্পূর্ণ টেক্সটাইল মিল নিয়ন্ত্রিত হবে তাদের দ্বারা। তাই মিল মালিকেরা স্যালারীর বিষয়ে অন্যদের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে এ বিষয়ের ইঞ্জিনিয়ারদের।  এছাড়াও বিষয়টি বুটেক্সে নতুন......তাই এই বিষয়ে শিক্ষকতার সুবর্ণ সুযোগ থাকবে নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য। তাই এই বিষয় সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা যায়........সুন্দর ভবিষ্যৎ হাতছানি দিচ্ছে। টেক্সটাইল জগত সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করবে টেক্সটাইল প্রকৌশলীরা। তারই সংগী হতে যাচ্ছে এই টেক্সটাইল মেশিন ডিজাইন এন্ড মেইনটেননেন্স।

লিখেছেনঃ
সুদীপ দে
ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং,
৪১তম ব্যাচ,
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের

৪ বছর মেয়াদী বি,এস,সি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ২০১৫-২০১৬ সেশনের ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে ৷


ভর্তি পরীক্ষা: ২০ নভেম্বর ২০১৫ শুক্রবার  সকাল ১০.০০ টা হতে ১১.২০ পর্যন্ত ।

আবেদনের সময়সীমা : ০১/১০/২০১৫ সকাল ১০টা থেকে ৩১/১০/২০১৫ রাত ১২.০০ টা পর্যন্ত ৷ 


আবেদনের যোগ্যতা : ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত HSC এবং ২০১৩ অনুষ্ঠিত SSC তে
আলাদাভাবে 4.00 থাকতে হবং ৷ HSC পদার্থ , রসায়ন , গণিত এ ইংরেজীতে মোট ১৬ পয়েন্ট থাকতে হবে । প্রতিটি বিষয়ে আলাদা আলাদা করে ৩.৫ থাকতে হবে । যারা ২০১৪ 
সালে HSC পাস করেছে তারাও আবেদন করতে পারবে ৷

পরীক্ষা পদ্ধতি :  মোট প্রশ্ন হবে ১০০ টি। প্রতিটি প্রশ্নের নম্বর থাকবে ২ । পদার্থ , রসায়ন , গণিত এ  ৩০ টি এবং ইংরেজীতে ১০ টি । পরীক্ষা হবে ২০০ নম্বরের । পদার্থঃ ৬০ , রসায়নঃ ৬০, গণিতঃ ৬০, ইংরেজীঃ২০ । প্রতিটি ভল উত্তরের জন্য .৫০ নম্বর কাটা যাবে । পরীক্ষার পাশ নম্বর ১০০।  ১০০ এর কম পেলে মেধা তালিকায় প্রকাশ করা হবে না ।   GPA নম্বর থাকবে ১০০ । এস এস সি এর পয়েন্টকে ৮ এবং এইচ এস সির পয়েন্টকে ১২ দিয়ে গুন করতে হবে (চতুর্থ বিষয় বাদে) ৷  SSC*8 + HSC*12 . 


আসন সংখ্যাঃ
  • ওয়েট প্রসেস এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং -৮০
  • ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং-৮০
  • ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং-৮০
  • এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং-৮০
  • টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট- ৬০
  • টেক্সটাইল ফ্যাশন ও ডিজাইন -৩০
  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-৩০
  • টেক্সটাইল মেশিন ডিজাইন ও মেইনটেনেন্স -৩০

  মোট -৪৭০

এরমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৮টি এবং

উপজাতি কোটা ২টি ৷

SMS এর মাধ্যমে আবেদন পদ্ধতি:
Teletalk সংযোগের Message Option এ গিয়ে BUT<space>HSC পাশের বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর<space> HSC Roll <space> HSC পাশের সাল < space> SSC পাশের বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর <space> SSC Roll <space> SSC পাশের সাল লিখে 16222 নম্বর SMS করতে হবে । উদাহরণ : BUT DHA 123456 2015 DHA 654321 2013 কোটায় আবেদনকারীর প্রতি নির্দেশাবলী : কোটায় আবেদনকারীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোটায় আবেদন করতে নিম্নোক্ত উদাহরন অনুযায়ী 16222নম্বরে SMS করতে হবে ।  নির্দিষ্ট কোটা সমুহ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটা (FFQ), উপজাতীয় কোটা (TQ) উদাহরন : BUT DHA 123456 2013 DHA 654321 2011 FFQ উদাহরনটি ঢাকা বোর্ডর এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটার (FFQ) জন্য। SMS পর সকল তথ্য সঠিক হলে আবেদনকারীর নাম, ফি ও Pin নম্বর জানিয়ে সম্মতি চাওয়া হবে। 

তখনআবেদনকারীকে সম্মতি জানানোর জন্য BUT<space>YES<space>pin নম্বর<space>আবেদনকারীর মোবাইলনম্বর লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণঃ  BUT YES 87654321 01XXXXXXXXX  .।  আবেদন ফি ৬০০ টাকা। মোবাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা থাকলে ফি কেটে নিয়ে SMS এর মাধ্যমে তখনই ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর, username, password জানিয়ে দেয়া হবে ।

আবেদন ফীঃ আবেদন ফি ৬০০ টাকা । 

প্রবেশপত্র গ্রহণ:
http://but.teletalk.com.bd/ ব্রাউজ করে BUT Admission অপশনে click করে username ও password দিয়ে log in করলে আবেদনকারীর তথ্য প্রদর্শিত হবে । ছবি ও স্বাক্ষর upload করে প্রবেশপত্র download করতে হবে ।

কোন সমস্যা হলে বা বুঝতে না পারলে আমাদের ফেসবুক পেজ মেসেজ বা কমেন্ট করতে পারো --    Admission Test Information of BUTex

Monday, August 24, 2015

মেয়েদের জন্য টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং :-
________________________________

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং! শোনা মাত্রই গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিগুলোর ভারী ভারী যন্ত্রের কথা মাথায় চলে আসতে পারে অনেকেরই। আর অ্যাডমিশন টেস্টের সময়টাতে এই ইউনিভার্সিটি-সেই ইউনিভার্সিটি-এই সাবজেক্ট-সেই সাবজেক্টের হাতছানিতে দ্বিধায় পড়ে যায় ছেলেমেয়েরা। মেয়েদের মধ্যে যারা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-কে ক্যারিয়ার সূচনার মূলমন্ত্র হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী তাদের চোখেমুখে যেন কনফিউশনের ছাপটা একটু বেশিই লেগে থাকে! সত্যি কথা বলতে কি, সব ইঞ্জিনিয়ারিং-ই মেয়েদের জন্য একটু টাফতো বটেই। তাই বলে কি মেয়েরা ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়বে না? নাকি পড়ছেনা?? মেয়ে বলে পিছিয়ে পড়লে চলবে কেন?

অন্য ইঞ্জিনিয়ারিং যদি পড়তে পারো তবে নির্দ্বিধায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংও পড়তে পারবে। তোমার মেধা আর মনোবলটাই আসল, আর কিছুনা। তাছাড়া আগের তুলনায় এখন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মেয়েদের সংখ্যা চোখে পড়ার মত। টেক্সটাইলে পড়তে আসবে কিন্তু মেয়ে বলে ভয় পাচ্ছো? জেনে নাও টেক্সটাইল সেক্টরে সফল মেয়েদের কিছু কথা।

আজিজা রহমান। বাংলাদেশের প্রথম মেয়ে টেক্সটাইল প্রযুক্তিবিদ। তিনি ছিলেন বগুড়ার মেয়ে। ১৯৮১-৮২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কলেজ অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি হতে টেক্সটাইল প্রযুক্তিতে ৪ বছর মেয়াদী ডিগ্রী কোর্সে শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের উপমহাব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন।

ড. হোসনে আরা বেগম। বুটেক্সের একজন সহকারী অধ্যাপিকা এবং ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের প্রধান। কলেজ অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে পড়াশুনা করেছেন।  ITETএর একজন নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট তিনি।

তারান্নুম আফরীন। বুটেক্সের গর্ব। শৈশবের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন ঢাকার মগবাজারে। পেশা হিসেবে তার প্রিয় কাজটি হচ্ছে গবেষণা। গান এবং বিতর্ক করতে পছন্দ করেন। ১৬তম জাতীয় টেলিভিশন বিতর্কে প্রথম হয়েছিলেন টেক্সটাইল কলেজে পড়ার সময়। বর্তমানে পি.এইচ.ডি. করছেন অস্ট্রেলিয়ার Deakin বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার গবেষণার বিষয় ''বাঁশের আঁশের প্রস্তুতির পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি উদ্ভাবন ও এর বহুমুখী ব্যবহার''। টেক্সটাইল বিশ্বে তার এই গবেষণা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং প্রকাশ পেয়েছে বেশ কয়েকটি প্রচার মাধ্যমে।

আরো উদাহরণের কি দরকার আছে? মনে হয় না। টেক্সটাইল থেকে পড়াশুনা করে যে মিল-ফ্যাক্টরিতেই কাজ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। ইউনিভার্সিটি লেকচারার হতে পারো, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট সেক্টরে কাজ করতে পারো, কর্পোরেট জব করতে পারো, এমনকি নিজেই হয়ে যেতে পারো একজন উদ্যোক্তা! আর একটা কথা মাথায় রেখো, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়লে কর্মক্ষেত্র হিসেবে শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র বিশ্ব রয়েছে তোমার সামনে।





টেক্সটাইল সেক্টরকে বলা হয় বাংলাদেশের ''সোনার ডিম পাড়া হাঁস''। বিগত সময়ের রাজনৈতিক ডামাডোল আর একটার পর একটা দূর্ঘটনার কারণে আমাদের টেক্সটাইল সেক্টর কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ঠিকই তবে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা মোটেই অসম্ভব কিছুনা। আর টেক্সটাইল শিল্প এমন একটি শিল্প যার ধ্বংস নেই। এখানে ধ্বংস হলে তা অন্য জায়গায় গড়ে উঠবে, উঠবেই। ইতোমধ্যে মায়ানমার, ভিয়েতনাম, জাপান, কোরিয়া সহ আরো অনেক দেশ টেক্সটাইল শিল্প নিয়ে জোরেসোরেই কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে।

সুতরাং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়বে কি না তা নিয়ে দ্বিধায় থাকলে এখনি তা ঝেড়ে ফেলো আর হয়ে যাও টেক্সটাইল বিশ্বের একজন গর্বিত সদস্য। আমাদের জগতে স্বাগতম, অনেক শুভকামনা রইলো 



-----------------------------------------

a status update by-
তনিমা রহমান,
৩৯তম ব্যাচ,
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়।
--------------------------------------------

বাপ্পি ভাই এর ব্লগ থেকে নেওয়া ।